বিদেশ যাত্রার প্রয়োজনীয় ট্রাভেল এক্সেসরিজ ২০২৬: পূর্ণ চেকলিস্ট
সৌদি, কাতার বা উমরাহ যাত্রায় কী কী নেবেন: লাগেজ, পাওয়ার ব্যাংকের ২০২৬ নিয়ম, টাইপ-G অ্যাডাপ্টার, ওষুধ, ইহরাম ও নিষিদ্ধ জিনিসের পূর্ণ তালিকা।
যাওয়ার আগে এক নজরে চেকলিস্ট
বিদেশ যাওয়ার আগের রাতে সবচেয়ে বেশি ঝামেলা হয় ছোট জিনিস নিয়ে: ব্যাগের ওজন বেশি হয়ে যাওয়া, পাওয়ার ব্যাংক চেক-ইন ব্যাগে রেখে দেওয়া, সৌদিতে গিয়ে মোবাইল চার্জ দিতে না পারা। এই গাইডে কর্মী, উমরাহযাত্রী আর সাধারণ ভ্রমণকারী, তিনজনের জন্যই আলাদা করে বলা আছে কী লাগবে, কোন ব্যাগে রাখবেন, আর কী নিলে বিমানবন্দরে আটকাবে।
| জিনিস | কর্মী | উমরাহযাত্রী | ভ্রমণকারী | কোন ব্যাগে |
|---|---|---|---|---|
| মজবুত লাগেজ ব্যাগ + তালা | ✔ | ✔ | ✔ | — |
| হাতের লাগেজ স্কেল | ✔ | ✔ | ✔ | হাতের ব্যাগ |
| পাওয়ার ব্যাংক (১০০Wh-এর কম) | ✔ | ✔ | ✔ | শুধু হাতের ব্যাগ |
| টাইপ-G (তিন পিন) অ্যাডাপ্টার | ✔ | ✔ | ✔ | হাতের ব্যাগ |
| ডকুমেন্ট পাউচ (পাসপোর্ট, ভিসা, বিএমইটি কার্ড) | ✔ | ✔ | ✔ | শরীরের সাথে |
| নিয়মিত ওষুধ + প্রেসক্রিপশন | ✔ | ✔ | ✔ | হাতের ব্যাগ |
| ইহরাম, বেল্ট, আলাদা স্যান্ডেল | — | ✔ | — | হাতের ব্যাগ |
| নেক পিলো, আই মাস্ক | ঐচ্ছিক | ✔ | ✔ | হাতের ব্যাগ |
| কাজের জুতা/পোশাক (কোম্পানি না দিলে) | ✔ | — | — | চেক-ইন |
সবচেয়ে জরুরি নিয়ম: পাওয়ার ব্যাংক কখনো চেক-ইন ব্যাগে নয়, আর পাসপোর্ট-ভিসা-টিকিট সবসময় শরীরের সাথে।
লাগেজ: ব্যাগ, তালা, ওজন আর র্যাপিং
কোন ব্যাগ নেবেন
- হার্ড শেল (শক্ত) স্যুটকেস: ভেতরের জিনিস চাপে ভাঙে কম, উমরাহ ও ভ্রমণে ভালো। চাকা ২টা না ২টার বেশি, দেখে নিন; ৪ চাকার ব্যাগ বিমানবন্দরে টানতে সহজ।
- নরম কাপড়ের বড় ব্যাগ: ওজন কম, বেশি জিনিস ধরে। কাজের জন্য যাওয়া কর্মীদের কাছে জনপ্রিয়, কারণ ব্যাগেজ সীমার পুরোটাই কাজে লাগানো যায়।
- হাতের ব্যাগ (কেবিন): ছোট ব্যাকপ্যাক বা ট্রলি, যাতে ওষুধ, কাগজ, পাওয়ার ব্যাংক আর এক সেট কাপড় রাখবেন। চেক-ইন ব্যাগ দেরিতে এলেও প্রথম দিন চলে যাবে।
ব্যাগেজ সীমা: কত কেজি নেওয়া যায়
| এয়ারলাইন | যাওয়ার সময় | ফেরার সময় | হাতে |
|---|---|---|---|
| বিমান বাংলাদেশ | ৩০ কেজি | ৪০ কেজি | ৭ কেজি |
| সৌদিয়া | ২৩ কেজি | ৪৬ কেজি | — |
সূত্র: সৌদিযাবোর টিকিটিং অভিজ্ঞতা, অক্টোবর ২০২৬। ভাড়ার ধরনভেদে সীমা বদলায়, তাই টিকিটে লেখা ব্যাগেজ অবশ্যই মিলিয়ে নিন (বুকিং চেক)।
লাগেজ স্কেল: ছোট জিনিস, বড় সাশ্রয়
বাসায় দাঁড়িপাল্লা না থাকলে একটা হাতের ডিজিটাল লাগেজ স্কেল রাখুন। বিমানবন্দরে ওজন বেশি হলে হয় বাড়তি টাকা দিতে হয়, নাহলে কাউন্টারের সামনে ব্যাগ খুলে জিনিস ফেলে দিতে হয়। ফেরার সময় সৌদিতেও এটা কাজে লাগে, কারণ তখন ব্যাগ সবচেয়ে ভারী থাকে।
তালা, নামের ট্যাগ আর র্যাপিং
- তালা: সাধারণ ছোট তালা বা নম্বর লক যথেষ্ট। চাবি হাতের ব্যাগে রাখুন, চেক-ইন ব্যাগে নয়।
- নামের ট্যাগ: নাম, মোবাইল নম্বর আর গন্তব্যের ঠিকানা (কোম্পানি/হোটেল) লিখুন। একই রকম কালো ব্যাগের ভিড়ে নিজেরটা চিনতে একটা রঙিন ফিতা বা স্টিকারও কাজের।
- র্যাপিং: ব্যাগ প্লাস্টিকে মুড়িয়ে নিলে ছিঁড়ে যাওয়া আর খোলার ঝুঁকি কমে। ঢাকা বিমানবন্দরের মেশিনে সাধারণ যাত্রীদের জন্য প্রতি পিস ৩০০ টাকা, আর বিএমইটি কার্ডধারী কর্মীদের জন্য ১০০ টাকা; কার্ড দেখাতে হয় (বিমানবন্দরে র্যাপিং মেশিনের নোটিশ, অক্টোবর ২০২৬)। কার্ড কীভাবে পাবেন: বিএমইটি কার্ড গাইড।
ইলেকট্রনিক্স: পাওয়ার ব্যাংক, অ্যাডাপ্টার, চার্জার
পাওয়ার ব্যাংক: ২০২৬ সালের নতুন নিয়ম
পাওয়ার ব্যাংকের কারণেই সবচেয়ে বেশি যাত্রী বিমানবন্দরে আটকান। নিয়মগুলো সহজ:
- শুধু হাতের ব্যাগে: পাওয়ার ব্যাংক চেক-ইন ব্যাগে কোনো এয়ারলাইনই নেয় না।
- ১০০Wh-এর কম হলে নিশ্চিন্ত: ১০১–১৬০Wh হলে এয়ারলাইনের আগাম অনুমতি লাগে, ১৬০Wh-এর বেশি হলে নিষিদ্ধ। গায়ে শুধু mAh লেখা থাকলে: mAh × ৩.৭ ÷ ১,০০০। যেমন ২০,০০০mAh ≈ ৭৪ Wh, ২৭,০০০mAh ≈ ১০০Wh-এর সীমা।
- সৌদির ফ্লাইটে সর্বোচ্চ ২টা: সৌদি বেসামরিক বিমান কর্তৃপক্ষ (GACA) মে ২০২৬-এ জানিয়েছে, একজন যাত্রী ২টা পর্যন্ত পাওয়ার ব্যাংক নিতে পারবেন, আর বিমানে পাওয়ার ব্যাংক চার্জ দেওয়া নিষিদ্ধ (GCC Business News)।
- এমিরেটসে বিমানে ব্যবহারই নিষেধ: অক্টোবর ২০২৫ থেকে এমিরেটসে একটার বেশি পাওয়ার ব্যাংক নেওয়া যায় না, বিমানে ব্যবহারও করা যায় না (Emirates)।
- সীটের USB-তে পাওয়ার ব্যাংক চার্জ নয়: ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে আন্তর্জাতিক নিয়মে (IATA) এটা নিষিদ্ধ (Baggage Policies)।
কেনার সময়: গায়ে mAh আর Wh স্পষ্ট করে লেখা আছে এমন পাওয়ার ব্যাংক নিন। লেখা মুছে গেলে বা নকল মনে হলে নিরাপত্তাকর্মী রেখে দিতে পারেন। ১০,০০০–২০,০০০mAh-ই সবচেয়ে নিরাপদ পছন্দ।
অ্যাডাপ্টার: সৌদিতে তিন পিনের প্লাগ
সৌদি আরবে ব্রিটিশ ধরনের টাইপ-G (তিনটা চৌকোনা পিন) সকেট, ভোল্টেজ ২৩০V, ২০১০ সাল থেকে। পুরো আরব উপদ্বীপ, মালয়েশিয়া আর সিঙ্গাপুরেও একই প্লাগ (WorldStandards)। দেশের দুই পিনের চার্জার সরাসরি লাগবে না, তাই দেশ থেকেই ১–২টা টাইপ-G অ্যাডাপ্টার বা ইউনিভার্সাল অ্যাডাপ্টার নিয়ে যান। মোবাইল চার্জার ২২০–২৪০V-এ চলে, তাই আলাদা ভোল্টেজ কনভার্টার লাগে না।
আরও যা লাগবে
- ফাস্ট চার্জার + লম্বা ক্যাবল: ক্যাম্প বা হোটেলে সকেট অনেক সময় বিছানা থেকে দূরে থাকে।
- মাল্টিপ্লগ: এক সকেটে ফোন, পাওয়ার ব্যাংক আর ইয়ারফোন একসাথে চার্জ দিতে।
- ইয়ারফোন: লম্বা ফ্লাইটে আর ক্যাম্পে ঘুমাতে আরাম দেয়।
- ফোন ও সিম: দেশের সিম রোমিং ছাড়া বন্ধ থাকবে; পৌঁছে স্থানীয় সিম নিতে হবে। দেশের সিমে ব্যাংক ও বিকাশের ওটিপি আসে, তাই সিমটা হারাবেন না, সম্ভব হলে ডুয়াল সিম ফোন নিন।
কাগজপত্র রাখার জিনিস: ডকুমেন্ট পাউচ ও কপি
বিদেশ যাত্রায় সবচেয়ে দামি জিনিস হলো কাগজপত্র। একটা হারালে পুরো যাত্রা আটকে যেতে পারে।
- ওয়াটারপ্রুফ ডকুমেন্ট পাউচ: পাসপোর্ট, ভিসার কপি, টিকেট, বিএমইটি কার্ড, মেডিকেল রিপোর্ট একসাথে এক জায়গায়। চেইনওয়ালা পাউচ গলায় বা কোমরে ঝোলানো যায়, ভিড়ে পকেটমার থেকেও নিরাপদ।
- ফটোকপির সেট: পাসপোর্টের প্রথম পাতা, ভিসা, বিএমইটি কার্ড আর টিকেটের ২ সেট কপি। এক সেট হাতের ব্যাগে, এক সেট লাগেজে।
- ফোনে ডিজিটাল কপি: সব কাগজের ছবি তুলে গুগল ড্রাইভ বা ইমেইলে রাখুন। ফোন হারালেও অন্য কারো ফোন থেকে খোলা যাবে।
- পাসপোর্ট সাইজ ছবি: ৪–৬ কপি সাথে রাখুন; পৌঁছে আকামা বা সিম নিতে কাজে লাগতে পারে।
- কলম: ফ্লাইটে বা ইমিগ্রেশনে ফর্ম পূরণে লাগে, অনেকেই ভুলে যান।
ওয়ার্ক ভিসার যাত্রীরা বিএমইটি কার্ড অবশ্যই হাতের ব্যাগে রাখুন। বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশনে লাগে, আর কার্ড দেখালে লাগেজ র্যাপিং ১০০ টাকায় হয়। কোন কোন কাগজ লাগে তার পুরো তালিকা দেখুন সৌদি ভিসা প্রসেসিং ধাপে ধাপে লেখায়।
আরামের জিনিস: লম্বা ফ্লাইট সহজ করতে
ঢাকা থেকে সৌদি সরাসরি ৫–৬ ঘণ্টা, ট্রানজিট হলে ১০–১৮ ঘণ্টাও লাগতে পারে। এই জিনিসগুলো সাথে থাকলে পথটা অনেক সহজ হয়:
- নেক পিলো (গলার বালিশ): বসে ঘুমালে ঘাড় ব্যথা হয় না। বাতাস দিয়ে ফোলানো বালিশ ব্যাগে কম জায়গা নেয়।
- আই মাস্ক ও ইয়ার প্লাগ: বিমানের আলো আর শব্দে ঘুম আসে না, এ দুটো খুব কম দামে বড় আরাম দেয়।
- হালকা জ্যাকেট বা চাদর: বিমানের ভেতর এসি বেশ ঠান্ডা থাকে।
- খালি পানির বোতল: নিরাপত্তা তল্লাশির পর ভরে নিন। হাতের ব্যাগে ১০০ মিলির বেশি তরল নেওয়া যায় না, তাই ভরা বোতল তল্লাশিতে ফেলে দিতে হয়।
- স্যান্ডেল বা স্লিপার: লম্বা ফ্লাইটে পা ফুলে যায়, জুতা খুলে আরাম পাবেন।
- ছোট টয়লেট্রি কিট: টুথব্রাশ, ছোট পেস্ট, টিস্যু, ভেজা টিস্যু; প্রতিটা তরল ১০০ মিলির কম, একটা স্বচ্ছ জিপ ব্যাগে।
- শুকনো খাবার: বিস্কুট বা শুকনো ফল, ট্রানজিটে বিমানবন্দরের খাবার অনেক দামি।
উমরাহ ও হজ যাত্রীদের বিশেষ জিনিস
উমরাহ বা হজে গেলে সাধারণ তালিকার বাইরে আরও কিছু জিনিস লাগে:
- ইহরামের কাপড়: পুরুষদের জন্য ২ সেট সেলাইবিহীন সাদা কাপড়, একটা পরা অবস্থায় নোংরা হলে বদলানোর জন্য। মহিলারা ঢিলেঢালা সাধারণ পোশাক পরেন।
- ইহরাম বেল্ট: টাকা, ফোন আর কার্ড রাখার পকেটওয়ালা বেল্ট; ইহরামের কাপড় ধরেও রাখে।
- সুগন্ধিমুক্ত সাবান, শ্যাম্পু ও লোশন: ইহরাম অবস্থায় সুগন্ধি ব্যবহার করা নিষেধ, তাই আনসেন্টেড জিনিস নিন।
- জুতা রাখার ছোট ব্যাগ: মসজিদে জুতা হাতে রাখতে, হারানোর ভয় কমে।
- ছাতা ও স্প্রে বোতল: মক্কা-মদিনায় দিনের গরম অনেক বেশি; সামান্য পানি স্প্রে করলেও আরাম লাগে।
- আরামদায়ক স্যান্ডেল: তাওয়াফ ও সাঈতে অনেক হাঁটতে হয়; নতুন স্যান্ডেল দেশেই কয়েকদিন পরে অভ্যস্ত হয়ে নিন।
- ছোট জায়নামাজ, তাসবিহ ও দোয়ার বই।
উমরাহর পুরো প্রস্তুতি দেখুন উমরাহ প্রস্তুতি গাইড ২০২৬ লেখায়, আর প্রথমবার গেলে পড়ুন প্রথমবার উমরাহর টিপস।
ওষুধ ও হেলথ কিট
নতুন দেশের পানি, খাবার আর গরমে প্রথম কয়েক দিন অনেকেরই শরীর খারাপ হয়। একটা ছোট হেলথ কিট সাথে রাখুন:
- জ্বর ও ব্যথার সাধারণ ওষুধ, গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ, ওরস্যালাইন
- ব্যান্ডেজ, অ্যান্টিসেপটিক ক্রিম
- সানস্ক্রিন ও ঠোঁটের বাম (উমরাহ যাত্রীরা সুগন্ধিমুক্ত নিন)
- সার্জিক্যাল মাস্ক কয়েকটা, ভিড়ে ও ধুলায় কাজে লাগে
- নিয়মিত ওষুধ খান এমন হলে পুরো সময়ের ওষুধ + ডাক্তারের প্রেসক্রিপশনের কপি
সৌদিতে ওষুধ নেওয়ার নিয়ম
সৌদি আরবে কিছু ওষুধ নিয়ন্ত্রিত, যেমন ঘুমের ওষুধ, কিছু ব্যথানাশক আর মানসিক স্বাস্থ্যের ওষুধ। এগুলো নিতে হলে আগে সৌদি খাদ্য ও ওষুধ কর্তৃপক্ষের (SFDA) ওয়েবসাইট cds.sfda.gov.sa-তে অনলাইনে অনুমতি নিতে হয় (The Week, ২ জানুয়ারি ২০২৬)। অনুমতি ছাড়া ধরা পড়লে ওষুধ জব্ত হয়, গুরুতর ক্ষেত্রে মামলাও হতে পারে।
নিয়ম: ওষুধ আসল মোড়কে রাখুন, প্রেসক্রিপশন সাথে রাখুন, আর অন্যের দেওয়া প্যাকেট কখনো বহন করবেন না। উমরাহ যাত্রীদের মেনিনজাইটিস টিকার নিয়ম দেখুন উমরাহ প্রস্তুতি গাইডে, আর ওয়ার্ক ভিসার মেডিকেলের তথ্য এখানে।
যা নেওয়া যাবে না বা ঝুঁকিপূর্ণ
কিছু জিনিসের জন্য বিমানবন্দরে আটকে যাওয়া, জিনিস জব্ত হওয়া বা আইনি ঝামেলা হতে পারে:
| জিনিস | কী হয় |
|---|---|
| পাওয়ার ব্যাংক / লিথিয়াম ব্যাটারি চেক-ইন ব্যাগে | লাগেজ খুলে বের করে ফেলে, ফ্লাইটও মিস হতে পারে |
| হাতের ব্যাগে ১০০ মিলির বেশি তরল (পানি, তেল, আচার) | নিরাপত্তা তল্লাশিতে রেখে দেয় |
| ছুরি, কাঁচি, ব্লেড হাতের ব্যাগে | রেখে দেয়; লাগেজে নিন |
| মদ, শূকরের মাংস বা তার তৈরি জিনিস | সৌদিতে নিষিদ্ধ |
| মাদক ও অনুমতিহীন নিয়ন্ত্রিত ওষুধ | কঠোর শাস্তি, কোনো ছাড় নেই |
| অন্যের দেওয়া অজানা প্যাকেট | ভেতরে কী আছে না জেনে কখনো নেবেন না |
সবচেয়ে বড় ভুল: পরিচিত কেউ বিদেশে কাউকে দেওয়ার জন্য প্যাকেট দিলে খুলে দেখে নিন। ধরা পড়লে দায় যার ব্যাগ, তার।
কোথায় কিনবেন: রেডি কিট ও অর্ডার
একটা একটা করে দোকানে ঘুরে কিনলে সময় আর টাকা দুটোই বেশি যায়, আর পাওয়ার ব্যাংকের মতো জিনিসে নকল পড়ার ভয়ও থাকে। সৌদিযাবোর নিজস্ব অনলাইন শপ MiqatMart.com-এ বিদেশ যাত্রা আর উমরাহর জিনিস এক জায়গায় পাবেন।
- ওয়ার্ক ভিসা যাত্রী: লাগেজ, লাগেজ স্কেল, টাইপ-G অ্যাডাপ্টার, পাওয়ার ব্যাংক, ডকুমেন্ট পাউচ।
- উমরাহ যাত্রী: ইহরাম, বেল্ট, সুগন্ধিমুক্ত সাবান-শ্যাম্পু, জুতার ব্যাগ, ছাতা।
সৌদিযাবোতে ভিসা বা উমরাহ প্রসেসিং করলে সব জিনিস একসাথে নিয়ে নিতে পারবেন কিনা, তা জানতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
✈️ এই বিষয়ে সাহায্য দরকার?
হজ্জ, উমরাহ ও সৌদি ভিসা নিয়ে আপনার প্রশ্নের উত্তর দিতে আমরা আছি।