মালয়েশিয়ার ভিসা শীঘ্রই চালু হচ্ছে আমরা এখন পাসপোর্ট জমা নিচ্ছি। বিস্তারিত জানতে ও পাসপোর্ট জমা দিতে যোগাযোগ করুন।
WhatsApp এ যোগাযোগকল করুন
umrah 08 Apr 2026 6 মিনিটের পড়া

প্রথমবার উমরাহ: ধাপে ধাপে নিয়ম ও জরুরি টিপস

ইহরাম, তাওয়াফ, সাঈ ও চুল কাটা: উমরাহর প্রতিটি ধাপ সহজ ভাষায়। প্রথমবারের সাধারণ ভুল, ভিড় এড়ানোর কৌশল, হুইলচেয়ার ও জরুরি নম্বর।

শেয়ার করুন: Facebook WhatsApp

প্রথমবার উমরাহতে গেলে সবার মনে একই প্রশ্ন ঘোরে: কোথা থেকে তাওয়াফ শুরু করব, কয় চক্কর, ভিড়ে হারিয়ে গেলে কী করব? আসলে উমরাহ মাত্র চারটি কাজের, আর কয়েক ঘণ্টায় শেষ হয়ে যায়। এই গাইডে প্রতিটি ধাপ সহজ ভাষায়, সাথে মাঠের অভিজ্ঞতা থেকে আসা জরুরি টিপস।

উমরাহ চার কাজে

  1. ইহরাম: মিকাতের আগে ইহরামের কাপড়, নিয়ত ও তালবিয়া
  2. তাওয়াফ: কাবা ঘিরে সাত চক্কর, তারপর দুই রাকাআত নামাজ
  3. সাঈ: সাফা থেকে মারওয়া সাতবার
  4. চুল কাটা: তারপর উমরাহ শেষ, ইহরাম খোলা যায়

যাওয়ার আগে কী কী গোছাবেন, টিকা ও টাকার নিয়ম জানতে পড়ুন উমরাহ প্রস্তুতি গাইড। এই লেখা সৌদিতে পৌঁছানোর পরের কাজ নিয়ে।

উমরাহ ধাপে ধাপে: কী করবেন, কীভাবে করবেন

ধাপ ১: ইহরাম

  • গোসল করে পুরুষরা দুই টুকরা সাদা কাপড় পরুন; নারীরা শরীর ঢাকা সাধারণ পোশাক।
  • মিকাতের আগে মনে মনে উমরাহর নিয়ত করুন ও বলুন “লাব্বাইক আল্লাহুম্মা উমরাহ”। তারপর মক্কায় পৌঁছা পর্যন্ত বারবার তালবিয়া পড়ুন (পুরুষরা উঁচু কণ্ঠে, নারীরা আস্তে)।
  • বিমানে ইহরাম কীভাবে বাঁধবেন, সেটা প্রস্তুতি গাইডে বিস্তারিত আছে।

টিপস: মক্কায় পৌঁছে হোটেলে ব্যাগ রেখে ওজু করে হালকা হয়ে বের হন। Nusuk-এ উমরাহ পারমিটের সময় মিলিয়ে নিন।

ধাপ ২: তাওয়াফ (কাবা ঘিরে সাত চক্কর)

  • ওজু থাকতে হবে। মাঝপথে ওজু ভেঙে গেলে ওজু করে এসে আলেমদের নির্দেশনা অনুযায়ী চালিয়ে যান।
  • শুরু হাজরে আসওয়াদ (কালো পাথর) বরাবর থেকে। মেঝেতে সবুজ বাতি দিয়ে জায়গাটা চিহ্নিত আছে। ডান হাত উঁচু করে ইশারা করে “আল্লাহু আকবার” বলুন। পাথর ছোঁয়ার জন্য ধাক্কাধাক্কি করবেন না।
  • কাবা থাকবে আপনার বাঁ দিকে। সাত চক্কর শেষ হলে তাওয়াফ শেষ।
  • পুরুষদের জন্য: তাওয়াফের সময় ইহরামের উপরের কাপড় ডান কাঁধের নিচ দিয়ে নিয়ে ডান কাঁধ খোলা রাখা (ইদতিবা), আর প্রথম তিন চক্করে ছোট পায়ে একটু দ্রুত হাঁটা (রমল) সুন্নত, ভিড়ে সম্ভব না হলে সমস্যা নেই।
  • দোয়া: নির্দিষ্ট কোনো দোয়া বাধ্যতামূলক নয়, নিজের ভাষায় দোয়া করা যায়। রুকনে ইয়ামানি ও হাজরে আসওয়াদের মাঝখানে “রাব্বানা আতিনা ফিদদুনইয়া হাসানাতাঁ…” পড়া সুন্নত (আবু দাউদ ১৮৯২)।
  • চক্কর ভুলে গেলে: যে সংখ্যায় নিশ্চিত, সেই কম সংখ্যা ধরে বাকিগুলো পূরণ করুন। হাতে ১০০ দানার তসবিহ বা গণনার আংটি (ক্লিকার) রাখলে সহজ হয়।

ধাপ ৩: দুই রাকাআত নামাজ ও জমজম

তাওয়াফ শেষে পুরুষরা কাঁধ ঢেকে নিন। মাকামে ইবরাহিমের পেছনে সুযোগ না পেলে মসজিদের যেকোনো জায়গায় দুই রাকাআত নামাজ পড়ুন, মানুষের চলার পথে দাঁড়াবেন না। তারপর জমজম পানি পান করুন, হারামের সব জায়গায় বিনামূল্যে জমজমের পাত্র রাখা আছে।

ধাপ ৪: সাঈ (সাফা-মারওয়া)

  • সাফা পাহাড় থেকে শুরু। সাফা থেকে মারওয়া একবার, মারওয়া থেকে সাফা আরেকবার; এভাবে সাতবার, শেষ হবে মারওয়ায়। অনেকে যাওয়া-আসা মিলিয়ে এক গুনে ভুল করেন।
  • সাফায় উঠে কাবার দিকে ফিরে দোয়া করা সুন্নত (সহিহ মুসলিম ১২১৮)।
  • দুই সবুজ বাতির মাঝখানে পুরুষরা একটু দ্রুত হাঁটেন, নারীরা স্বাভাবিকভাবে।
  • সাঈয়ের জন্য ওজু শর্ত নয়, তবে থাকা ভালো। ক্লান্ত হলে বিশ্রাম নিয়ে আবার শুরু করতে পারেন।

ধাপ ৫: চুল কাটা

পুরুষরা পুরো মাথা মুড়ান (হালক, উত্তম) বা পুরো মাথার চুল ছোট করেন (কাসর)। নারীরা আঙুলের ডগার মতো অল্প চুল কাটেন। মারওয়ার কাছে অনেক সেলুন আছে। এবার উমরাহ শেষ, গোসল করে সাধারণ কাপড় পরতে পারেন।

ভিড় এড়ানোর কৌশল

  • সময় বেছে নিন: জুমার দিন, রমজানের শেষ দশক আর ফরজ নামাজের আগে-পরে মাতাফে (কাবার চারপাশের খোলা জায়গা) সবচেয়ে বেশি ভিড় হয়। নামাজের সময় তাওয়াফ থামিয়ে নামাজ পড়তে হয়, তাই দুই নামাজের মাঝখানের সময়টা বেছে নিন।
  • উপরের তলায় তাওয়াফ: মাতাফে জায়গা না পেলে উপরের তলায় তাওয়াফ করা যায়। চক্কর বড়, হাঁটতে বেশি হয়, কিন্তু ধাক্কাধাক্কি কম।
  • দল থেকে আলাদা হলে: তাওয়াফের আগেই একটি নির্দিষ্ট গেট নম্বর মিটিং পয়েন্ট হিসেবে ঠিক করুন। হারামের প্রতিটি গেটে নম্বর লেখা আছে।
  • জুতা: জুতা জুতার র্যাকে রাখলে র্যাক নম্বর মনে রাখুন, নাহলে কাপড়ের ব্যাগে ভরে সাথে রাখুন। বের হওয়ার সময় অন্য গেটে চলে গেলে জুতা খুঁজে পাওয়া কঠিন।

বয়স্ক ও অসুস্থদের জন্য

  • বিনামূল্যে হুইলচেয়ার: কিং আবদুল আজিজ গেট, গেট ৭৪ ও আজইয়াদ গেটে বিনামূল্যে সাধারণ হুইলচেয়ার পাওয়া যায়, আগে এলে আগে পাবেন ভিত্তিতে।
  • ইলেকট্রিক স্কুটার (Tanaqol অ্যাপ): তাওয়াফ বা সাঈ একটার জন্য এক আসনের স্কুটার ৫৭.৫০ রিয়াল, দুটোর জন্য ১১৫ রিয়াল; দুই আসনের স্কুটারে দ্বিগুণ। স্কুটার চলে তিন তলায়, সেখানে হাঁটা বা সাধারণ হুইলচেয়ার নিষেধ। অন্তত এক দিন আগে বুক করুন।
  • সাঈয়ে: সাফা-মারওয়ার করিডোরে হুইলচেয়ারের আলাদা লেন আছে।

সূত্র: Wego — Wheelchair Hajj Guide, হালনাগাদ ১৮ মে ২০২৬। দাম বদলাতে পারে, অ্যাপে মিলিয়ে নিন।

অসুস্থ বা বয়স্ক কেউ নিজে হাঁটতে না পারলে হুইলচেয়ারে বসে তাওয়াফ ও সাঈ করলে উমরাহ সহিহ হয়, এ নিয়ে দ্বিধা করবেন না।

প্রথমবার উমরাহতে যে ভুলগুলো সবচেয়ে বেশি হয়

  1. জেদ্দায় নেমে ইহরাম বাঁধা। জেদ্দা মিকাতের ভেতরে, বিমানেই নিয়ত করতে হয়।
  2. সাঈয়ে যাওয়া-আসা মিলিয়ে এক গোনা। সাফা→মারওয়া এক, মারওয়া→সাফা আরেক। সাত নম্বর শেষ হয় মারওয়ায়।
  3. তাওয়াফে কাবা ডানে রাখা। কাবা সবসময় বাঁ দিকে থাকবে।
  4. পুরো তাওয়াফে কাঁধ খোলা রাখা, এমনকি নামাজেও। কাঁধ খোলা রাখা শুধু উমরাহর তাওয়াফের সময়, নামাজের আগে ঢেকে নিন।
  5. হাজরে আসওয়াদ ছুঁতে ধাক্কাধাক্কি। ছোঁয়া বাধ্যতামূলক নয়, দূর থেকে ইশারা করলেই যথেষ্ট; অন্যকে কষ্ট দেওয়া গুনাহ।
  6. মাথার কয়েকটি চুল কেটে পুরুষদের ইহরাম খোলা। পুরুষদের পুরো মাথা মুড়ানো বা পুরো মাথার চুল ছোট করাই নিয়ম।
  7. ইহরাম অবস্থায় সুগন্ধিওয়ালা সাবান/টিস্যু ব্যবহার। সুগন্ধিহীন জিনিস সাথে রাখুন।
  8. স্থানীয় অচেনা গাইডের কথায় টাকা দেওয়া। “আরও সওয়াব” বা “বিশেষ দোয়ার” কথা বলে টাকা চাইলে এড়িয়ে চলুন।
  9. সেলফি/ভিডিও নিয়ে ব্যস্ত থাকা। তাওয়াফে থেমে ছবি তোলায় পেছনের মানুষ কষ্ট পান, আর মনোযোগও নষ্ট হয়।
  10. প্রথম দিনেই অতিরিক্ত ক্লান্ত হওয়া। বারবার নফল তাওয়াফ করতে গিয়ে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পানি খান, বিশ্রাম নিন।

নারীদের জন্য একটি জরুরি কথা: হায়েজ অবস্থায় তাওয়াফ করা যায় না, পবিত্র হওয়া পর্যন্ত ইহরাম অবস্থায় অপেক্ষা করতে হয় (সহিহ বুখারি ১৬৫০)। সফরের তারিখ ঠিক করার সময় এটা মাথায় রাখুন, আর দলের মুয়াল্লিমকে জানিয়ে রাখুন।

মদিনা সফর: মসজিদে নববীতে যা জানা দরকার

মদিনা সফর উমরাহর অংশ নয়, কিন্তু বেশিরভাগ প্যাকেজে থাকে। মদিনায় ইহরাম লাগে না।

  • রওজা শরিফ: ক্ষণিকের জন্য রওজায় নামাজ পড়তে Nusuk অ্যাপে আলাদা পারমিট লাগে, পুরুষ ও নারীদের সময় আলাদা। মদিনায় পৌঁছানোর আগেই বুক করুন; বুকিংয়ের ধাপ আছে উমরাহ প্রস্তুতি গাইডে। ভেতরে সময় খুব কম থাকে, বড় ব্যাগ নিয়ে যাবেন না (Umrah Transit)।
  • রাসূল ﷺ-এর রওজা মোবারকে সালাম: নির্দিষ্ট পথে সারিতে হেঁটে যেতে হয়, থামার সুযোগ কম। আদবের সাথে নিচু স্বরে সালাম দিন। দরূদ পড়তে পারেন: দরূদে ইবরাহিম।
  • মসজিদে কুবা: মদিনায় থাকলে কুবা মসজিদে নামাজ পড়া ফজিলতপূর্ণ (সুনানে ইবনে মাজাহ ১৪১২)।
  • নারীদের অংশ: মসজিদে নববীতে নারীদের নামাজের জায়গা ও গেট আলাদা। পরিবার নিয়ে গেলে নামাজের পর কোন গেটে দেখা করবেন, আগে ঠিক করুন।

নিরাপত্তা: হারিয়ে গেলে, অসুস্থ হলে, পাসপোর্ট হারালে

গুরুত্বপূর্ণ নম্বর (ফোনে সেভ করে রাখুন)

নম্বর কীসের জন্য
৯১১ জরুরি ও নিরাপত্তা
১৯৬৬ হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়ের কল সেন্টার (সৌদি সিম থেকে)
+৯৬৬৯২০০০২৮১৪ একই কল সেন্টার, বিদেশি সিম থেকে
৯৩৭ স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ
৮০০১০০০১২৫ বাংলাদেশ দূতাবাস, রিয়াদ (বিনামূল্যে); পাসপোর্ট হারালে ৮০০১০০০১২৬, জরুরি ঘটনায় +৯৬৬৫৭০২১২১৮০

সূত্র: সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়ের তথ্য, Gulf News থেকে।

দূতাবাসের নম্বরের সূত্র: ঢাকা ট্রিবিউন, ১২ অক্টোবর ২০২৬।

দল থেকে হারিয়ে গেলে

  • আগে ঠিক করা গেটে ফিরে যান, ঘোরাঘুরি করবেন না।
  • বয়স্কদের পকেটে একটি কার্ড দিন: নাম, হোটেলের নাম ও ঠিকানা (আরবিতেও), এজেন্সির সৌদি নম্বর।
  • হারামের নিরাপত্তাকর্মী বা স্বেচ্ছাসেবকদের কাছে সাহায্য চাইবেন, অচেনা মানুষের সাথে যাবেন না।

অসুস্থ হলে

উমরাহ ভিসার সাথে স্বাস্থ্য বীমা আছে। হারামের আশেপাশে জরুরি স্বাস্থ্যকেন্দ্র আছে, জরুরি হলে ৯১১-এ কল করুন। হিটস্ট্রোকের লক্ষণ (মাথা ঘোরা, বমি, অস্বাভাবিক দুর্বলতা) দেখলে দেরি করবেন না।

পাসপোর্ট হারালে

প্রথমে এজেন্সির প্রতিনিধিকে জানান, তারপর স্থানীয় পুলিশে রিপোর্ট করে জেদ্দার বাংলাদেশ কনস্যুলেটে যোগাযোগ করুন। পাসপোর্ট ও ভিসার ছবি ফোনে থাকলে কাজ অনেক দ্রুত হয়।

ভিসার মেয়াদ মানুন

উমরাহ ভিসায় কাজ করা বা মেয়াদের পর থেকে যাওয়া গুরুতর অপরাধ। কেউ “থেকে গিয়ে কাজ করো” বললে রাজি হবেন না। সৌদিতে বৈধভাবে কাজ করতে চাইলে পড়ুন ভিজিট ভিসা বনাম ওয়ার্ক ভিসা ও সৌদি ভিসা প্রসেসিং ধাপে ধাপে।

✈️ এই বিষয়ে সাহায্য দরকার?

হজ্জ, উমরাহ ও সৌদি ভিসা নিয়ে আপনার প্রশ্নের উত্তর দিতে আমরা আছি।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

প্রথমবার উমরাহ করতে কি গাইড লাগবে?
বাধ্যতামূলক নয়। নিয়মগুলো আগে শিখে গেলে নিজেই করা যায়। তবে বয়স্ক বা প্রথমবার যাঁরা যাচ্ছেন, তাঁদের জন্য এজেন্সির মুয়াল্লিমের সাথে প্রথম উমরাহ করা সহজ।
উমরাহ করতে কতক্ষণ লাগে?
উমরাহর কাজ কয়েক ঘণ্টায় শেষ হয়, ভিড়ের উপর নির্ভর করে। পুরো সফর (মক্কা-মদিনা) সাধারণত কয়েক দিন থেকে দুই সপ্তাহের প্যাকেজে হয়।
তাওয়াফের কোন নির্দিষ্ট দোয়া কি মুখস্থ করতে হবে?
না। নিজের ভাষায় দোয়া করা যায়। রুকনে ইয়ামানি ও হাজরে আসওয়াদের মাঝখানে “রাব্বানা আতিনা…” পড়া সুন্নত।
তাওয়াফের চক্কর গুনতে ভুল হলে কী করব?
যে সংখ্যায় নিশ্চিত, সেই কম সংখ্যা ধরে বাকি চক্কর পূরণ করুন।
হুইলচেয়ারে তাওয়াফ করলে কি উমরাহ হবে?
হ্যাঁ। হাঁটতে অক্ষম হলে হুইলচেয়ার বা ইলেকট্রিক স্কুটারে তাওয়াফ ও সাঈ করা যায়। হারামে বিনামূল্যে হুইলচেয়ার পাওয়া যায়।
এক সফরে কি একাধিক উমরাহ করা যায়?
এ বিষয়ে আলেমদের মধ্যে মতভেদ আছে। নিজের আলেম বা মুয়াল্লিমের কাছ থেকে জেনে নিন; অনেকে এর বদলে বেশি বেশি নফল তাওয়াফ করাকে উত্তম মনে করেন।
উমরাহ আর হজের পার্থক্য কী?
উমরাহ সারা বছর করা যায় ও কয়েক ঘণ্টার ইবাদত; হজ নির্দিষ্ট দিনে, কয়েক দিন ধরে, আলাদা ভিসায়। বিস্তারিত: [হজ ও উমরাহর পার্থক্য](https://saudijabo.com/blog/hajj-vs-umrah-difference)। হজের খরচ ও নিবন্ধন দেখুন [হজ প্যাকেজ ২০২৭](https://saudijabo.com/blog/Hajj-package-khoros-2026)।

🔗 সম্পর্কিত লেখা

💬