মালয়েশিয়ার ভিসা শীঘ্রই চালু হচ্ছে আমরা এখন পাসপোর্ট জমা নিচ্ছি। বিস্তারিত জানতে ও পাসপোর্ট জমা দিতে যোগাযোগ করুন।
WhatsApp এ যোগাযোগকল করুন
general 21 May 2026 6 মিনিটের পড়া

সৌদিতে ড্রাইভারের চাকরি ২০২৬: ধাপে ধাপে গাইড

বাংলাদেশি লাইসেন্সে সৌদিতে গাড়ি চালানো যায় না। ভিসা যাচাই থেকে সৌদি লাইসেন্স (২,৯০০–৩,৬০০ রিয়াল) ও ট্রাফিক জরিমানা, ধাপে ধাপে।

শেয়ার করুন: Facebook WhatsApp
সৌদিতে ড্রাইভারের চাকরি ২০২৬: ধাপে ধাপে গাইড

দেশে গাড়ি চালানোর অভিজ্ঞতা থাকলে সৌদিতে ড্রাইভারের কাজ একটা ভালো পথ হতে পারে। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষ একটা জিনিস জানেন না: বাংলাদেশের লাইসেন্স দিয়ে সৌদিতে গাড়ি চালানো যায় না। সেখানে গিয়ে ড্রাইভিং স্কুল, থিওরি ও প্র্যাকটিক্যাল টেস্ট দিয়ে সৌদি লাইসেন্স নিতে হয়। এই গাইডে বাংলাদেশ থেকে শুরু করে সৌদিতে লাইসেন্স হাতে পাওয়া পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ দেওয়া হলো।

এক নজরে (হালনাগাদ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬)

  • দুই ধরনের ভিসা: হাউস ড্রাইভার (গৃহকর্মী, মুসানাদে) ও কোম্পানি ড্রাইভার (শ্রম আইনে)
  • সৌদি লাইসেন্সের খরচ: প্রায় ২,৯০০–৩,৬০০ রিয়াল (প্রায় ৯৫ হাজার–১.১৯ লাখ টাকা)
  • কে দেবে এই খরচ, তা ভিসার আগে লিখিত নিন
  • লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালালে জরিমানা ১,০০০–২,০০০ রিয়াল; লাল বাতি অমান্য করলে ৩,০০০–৬,০০০
  • হাউস ড্রাইভারের বেতন শুরু ১,২০০ রিয়াল থেকে (মুসানাদের চুক্তিতে সাধারণত এটাই লেখা হয়), অভিজ্ঞতায় ২,০০০ রিয়াল পর্যন্ত; ভিসা প্রসেসিং ১.৪–১.৮ লাখ টাকা

সূত্র: ksaexpats, লাইসেন্স গাইড, মে ২০২৬, ksaexpats, ট্রাফিক জরিমানা, জুন ২০২৬

কোন ধরনের ড্রাইভার ভিসা আপনার জন্য

হাউস ড্রাইভার কোম্পানি ড্রাইভার (লাইট/ডেলিভারি) হেভি ড্রাইভার (ট্রাক/বাস)
কার অধীনে একটি পরিবার কোম্পানি কোম্পানি
আইন গৃহকর্মী নিয়ম, মুসানাদ সৌদি শ্রম আইন সৌদি শ্রম আইন
লাইসেন্স সাধারণ (প্রাইভেট) সাধারণ; কিছু কাজে পাবলিক/কমার্শিয়াল হেভি ক্যাটাগরি
কার জন্য ভালো অভিজ্ঞ, শান্ত স্বভাবের চালক মোবাইল ম্যাপ চালাতে পারেন এমন চালক দেশে হেভি গাড়ির অভিজ্ঞতা আছে এমন চালক

হেভি লাইসেন্স কখন লাগে: বাসার সাধারণ গাড়ি ছাড়া বড় গাড়ি (ট্রাক, বাস) চালাতে হেভি লাইসেন্স লাগে। ভিসার পেশা আর আপনাকে কোন গাড়ি চালাতে হবে, দুটো মিলিয়ে নিন।

হাউস ড্রাইভার ভিসা আলাদা পথে আসে

হাউস ড্রাইভার, হাউস ওয়ার্কার ও কিচেন ওয়ার্কারের ভিসা প্রসেসিং সাধারণ কোম্পানি ভিসার চেয়ে আলাদা। এই ভিসা আসে মুসানাদের মাধ্যমে, আর বাংলাদেশি এজেন্সিকে আগে সৌদিতে বাসার কাজের জন্য নারী গৃহকর্মী পাঠাতে হয়, তারপর একজন পুরুষ গৃহকর্মী (হাউস ড্রাইভার বা হাউস ওয়ার্কার) পাঠানোর সুযোগ মেলে। তাই হাউস ড্রাইভার ভিসার সংখ্যা সীমিত, আর আসল এজেন্সির কাছেই এগুলো থাকে। (সূত্র: সৌদিযাবোর প্রসেসিংয়ের অভিজ্ঞতা, অক্টোবর ২০২৬)

কোম্পানি ড্রাইভার ও হেভি ড্রাইভার

  • কোম্পানি ড্রাইভারের ভিসা হাউস ড্রাইভার থেকে আলাদা, সাধারণ কোম্পানি ভিসার পথে হয়।
  • বেতন শুরুতে হাউস ড্রাইভারের কাছাকাছি, কয়েক মাস পরপর আস্তে আস্তে বাড়ে।
  • অনেক চাকার বড় গাড়ি (ট্রাক, ট্রেলার) চালান এমন হেভি ড্রাইভারদের বেতন প্রায় ২,৫০০ রিয়াল, অনেকের এর বেশিও।
  • ভিসা প্রসেসিং খরচ: প্রায় ১৬,০০০–১৮,০০০ টাকা, হাউস ড্রাইভারের চেয়ে কম। এতে শুধু ভিসা লাগানো (স্ট্যাম্পিং) আর ম্যানপাওয়ার আছে; মেডিকেল, তাকামুল, টিকিটসহ বাকি সব খরচ আলাদা (সৌদিযাবো, অক্টোবর ২০২৬)

(সূত্র: সৌদিযাবোর প্রসেস করা ভিসা, অক্টোবর ২০২৬)

সৌদি লাইসেন্স কে করায়: কর্মী নিজেই করতে পারেন, আবার কোম্পানি সুযোগ দিলে কোম্পানি করিয়ে দেয়। আপনার কোম্পানি করিয়ে দেবে কিনা, ভিসার আগেই জিজ্ঞাসা করে লিখিত নিন।

হাউস ড্রাইভারের অধিকার, ছুটি ও মুসানাদের নিয়ম বিস্তারিত আছে সৌদি হাউস ড্রাইভার ভিসা ২০২৬ লেখায়। ক্লিনারের সাথে তুলনা দেখতে ক্লিনার নাকি ড্রাইভার।

পর্ব ১: বাংলাদেশে যা করবেন

  1. গাড়ি চালানোতে দক্ষ হোন। অটোমেটিক গাড়ি, হাইওয়ে, লেন মেনে চালানো আর পার্কিং অভ্যাস করুন। সৌদিতে টেস্টে পাস না করলে কাজ শুরু হয় না।
  2. বাংলাদেশি লাইসেন্স সাথে রাখুন। সৌদিতে সরাসরি বদলানো যায় না (সৌদি প্রায় ৪৮টি দেশের লাইসেন্স বদলাতে দেয়, বাংলাদেশ এই তালিকায় আছে বলে কোনো সূত্রে পাইনি; Absher বা মোরুর অফিসে মিলিয়ে নিন)। তবে অভিজ্ঞতার প্রমাণ হিসেবে কাজে লাগে, আর অভিজ্ঞদের ড্রাইভিং স্কুলে আংশিক ছাড় মিলতে পারে।
  3. পাসপোর্ট: মেয়াদ কমপক্ষে ৬ মাস, নাম জাতীয় পরিচয়পত্রের সাথে মিলিয়ে নিন।
  4. লাইসেন্সপ্রাপ্ত এজেন্সি বাছাই: এজেন্সির RL নম্বর bmet.gov.bd-তে মিলিয়ে নিন। অফিসে টাকা দিয়ে রসিদ নিন।
  5. ভিসা যাচাই: ভিসার পেশায় “ড্রাইভার” লেখা আছে কিনা, আর ভিসাটা visa.mofa.gov.sa-তে দেখা যায় কিনা। পেশা “ক্লিনার” অথচ কাজ বলছে “ড্রাইভার”: এমন ভিসা নেবেন না।
  6. চুক্তিতে লিখিত নিন: বেতন, থাকা-খাওয়া, কাজের সময়, আর সবচেয়ে জরুরি: সৌদি লাইসেন্সের খরচ কে দেবে।
  7. মেডিকেল (GAMCA/Wafid): মেয়াদ হিসাব করুন মেডিকেল ডেট ক্যালকুলেটর দিয়ে।
  8. তাসহির বায়োমেট্রিক ও ভিসা স্ট্যাম্পিং।
  9. বিএমইটি ক্লিয়ারেন্স ও স্মার্ট কার্ড: প্রাক-বহির্গমন প্রশিক্ষণ শেষে। এটা ছাড়া বিমানবন্দর পার হওয়া যায় না।

প্রতিটি ধাপের কাগজ ও সময় বিস্তারিত সৌদি ভিসা প্রসেসিং ধাপে ধাপে লেখায়।

তাকামুল স্কিল টেস্ট: হাউস ড্রাইভারের তাকামুল লাগে। ফেল করলে সর্বোচ্চ ৩ বার পর্যন্ত পরীক্ষা দেওয়া যায়; ৩ বার ফেল করলে এখন পর্যন্ত আর সুযোগ নেই। ফি ৮৫ ডলার (TBS, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬)। তাই প্রথমবারেই পাস করার মতো প্রস্তুতি নিয়ে যান। (৩ বারের নিয়ম: সৌদিযাবোর প্রসেসিংয়ের অভিজ্ঞতা, অক্টোবর ২০২৬)

পর্ব ২: সৌদিতে পৌঁছে লাইসেন্স নেওয়া

সৌদি লাইসেন্সের পুরো কাজ হয় Absher (সরকারি অ্যাপ/পোর্টাল) দিয়ে, তাই আগে ইকামা হওয়া দরকার।

  1. ইকামা ও Absher নিবন্ধন: স্পনসর ইকামা করার পর আপনার Absher অ্যাকাউন্ট খোলা হয়।
  2. মেডিকেল (Efada): চোখ পরীক্ষা ও রক্তের গ্রুপ, খরচ প্রায় ১৫০ রিয়াল + ভ্যাট। ফলাফল Absher-এ যুক্ত হয়।
  3. ড্রাইভিং স্কুলে ভর্তি: নতুনদের পূর্ণ কোর্স (প্রায় ২০–৩০ ঘণ্টা), খরচ প্রায় ২,৫০০–৩,০০০ রিয়াল। অভিজ্ঞদের আংশিক ছাড়ে প্রায় ১,০০০–১,৫০০ রিয়াল।
  4. থিওরি টেস্ট: ট্রাফিক সিগন্যাল ও নিয়ম, খরচ প্রায় ১০০–১৫০ রিয়াল।
  5. প্র্যাকটিক্যাল টেস্ট: খরচ প্রায় ১৫০–৩০০ রিয়াল, Absher দিয়ে বুক।
  6. লাইসেন্স ইস্যু: ফি বছরে প্রায় ৪০ রিয়াল (২, ৫ বা ১০ বছরের জন্য), SADAD-এ পরিশোধ।

সূত্র: ksaexpats, হালনাগাদ ২৩ মে ২০২৬। দাম স্কুল ও শহরভেদে আলাদা হতে পারে।

টিপস: টেস্টে ফেল করলে আবার টেস্ট দিতে সময় ও খরচ দুটোই বাড়ে, আর লাইসেন্স না পাওয়া পর্যন্ত আপনি গাড়ি চালাতে পারবেন না। তাই দেশে ভালো করে অভ্যাস করে যাওয়াই সবচেয়ে বড় সাশ্রয়।

পুরো খরচ: কোনটা কে দেবে

খাত খরচ কে দেয়
বাংলাদেশ অংশ (এজেন্সি, মেডিকেল, বিএমইটি ইত্যাদি) হাউস ড্রাইভার: প্রায় ১.৪–১.৮ লাখ টাকা (বাজারভেদে কম-বেশি) কর্মী
সৌদি লাইসেন্স (মেডিকেল, স্কুল, টেস্ট, ইস্যু) প্রায় ২,৯০০–৩,৬০০ রিয়াল (৯৫ হাজার–১.১৯ লাখ টাকা) চুক্তিতে যা লেখা
ইকামা — সাধারণত মালিক
হাউস ড্রাইভারের রিক্রুটমেন্ট (মুসানাদে) — সৌদি নিয়োগকর্তা

হাউস ড্রাইভার ভিসার খরচ (১.৪–১.৮ লাখ টাকা) সাধারণ কর্মী ভিসার বাস্তব খরচের (৩.৫–৫ লাখ) চেয়ে অনেক কম। কোম্পানি ড্রাইভার ভিসার খরচ আলাদা হতে পারে। (সূত্র: সৌদিযাবোর প্রসেসিংয়ের অভিজ্ঞতা, অক্টোবর ২০২৬)

খরচ উঠাতে কত মাস (হাউস ড্রাইভার)

মাসিক বেতন শুধু ভিসা খরচ (১.৪–১.৮ লাখ) লাইসেন্সের খরচও নিজেকে দিলে
১,২০০ রিয়াল (≈ ৩৯,৫১৪ টাকা) প্রায় ৩.৫–৪.৬ মাস প্রায় ৬–৭.৬ মাস
২,০০০ রিয়াল (≈ ৬৫,৮৫৭ টাকা) প্রায় ২–৩ মাস প্রায় ৩.৫–৪.৫ মাস

ধরা হয়েছে পুরো বেতন দেশে পাঠানো হচ্ছে। রিয়ালের রেট: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ (≈ ৩২.৯৩ টাকা)।

খরচ উঠাতে কত মাস লাগবে, তার হিসাব করার নিয়ম আছে ক্লিনার নাকি ড্রাইভার লেখায়, আর ভিসার খরচের খাতওয়ারি সৌদি ওয়ার্ক ভিসা খরচ লেখায়।

রাস্তায় নামার আগে: জরিমানা জেনে নিন

সৌদিতে ট্রাফিক ক্যামেরা সব জায়গায়, আর জরিমানা বাকি থাকলে ইকামা নবায়ন আটকে যেতে পারে।

ভুল জরিমানা (রিয়াল)
হাতে মোবাইল ধরে চালানো ৫০০–৯০০
সিটবেল্ট না পরা (চালক বা যাত্রী) ১৫০–৩০০
লাল বাতি অমান্য ৩,০০০–৬,০০০
লাইসেন্স পাওয়ার আগে বা সাসপেন্ড অবস্থায় চালানো ১,০০০–২,০০০
মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্স ৩০০–৫০০
গতিসীমার ১০–২০ কিমি বেশি (১২০ কিমি বা কম সীমার রাস্তায়) ১৫০–৩০০
গতিসীমার ৫০ কিমির বেশি ১,৫০০–২,০০০

সূত্র: ksaexpats, জুন ২০২৬

নতুন ড্রাইভারদের সাধারণ ভুল

  • লাইসেন্স হাতে আসার আগেই মালিকের কথায় গাড়ি চালানো: জরিমানা আপনার নামেই পড়বে
  • ম্যাপ দেখতে ফোন হাতে নেওয়া: ফোন হোল্ডারে রাখুন
  • জরিমানা পরে দেখব ভেবে ফেলে রাখা: Absher-এ নিয়মিত চেক করুন
  • দুর্ঘটনা হলে গাড়ি সরিয়ে ফেলা বা চলে যাওয়া: নিরাপদে থেমে ৯১১-এ কল করুন, মালিককে জানান

ছোট দুর্ঘটনা হলে কী করবেন (নাজম)

সৌদিতে বীমাকৃত গাড়ির ছোট দুর্ঘটনার রিপোর্ট করে নাজম (Najm)। দোষ যার, জরিমানা ও ক্ষতিপূরণের দায় তার (বীমা থাকলে বীমা কোম্পানি দেয়)।

  1. জায়গা ছেড়ে যাবেন না। চলে গেলে আইনি সমস্যা ও জরিমানা হতে পারে।
  2. আগে আহত আছে কি না দেখুন। কেউ আহত হলে ১৯৭ (অ্যাম্বুলেন্স) আর ৯৯৩ (ট্রাফিক) নম্বরে ফোন করুন।
  3. ইঞ্জিন বন্ধ, হাজার্ড লাইট অন, গাড়ির পেছনে রিফ্লেক্টর ত্রিভুজ।
  4. ছবি তুলুন, তারপর গাড়ি সরান। কেউ আহত না হলে আর গাড়ি রাস্তা আটকালে, আগে গাড়ির অবস্থান, ক্ষতি ও নম্বরপ্লেটের ছবি নিয়ে পাশে সরিয়ে দিন। নাজম বা ট্রাফিক পুলিশ বললেও সরাতে হবে।
  5. নাজমে জানান। নাজম অ্যাপ, অথবা ৯২০০০০৫৬০ (হোয়াটসঅ্যাপসহ)। অন্তত এক পক্ষের বীমা থাকতে হবে। লাইসেন্স, গাড়ির রেজিস্ট্রেশন (ইস্তিমারা) ও বীমার কাগজ হাতে রাখুন।
  6. নাজমের সার্ভেয়ার আসেন, কার দোষ ঠিক করেন। রিপোর্ট এসএমএসে আসে, অ্যাপে ট্র্যাক করা যায়; এই রিপোর্ট দিয়েই বীমা দাবি হয়।

দুই গাড়ির কোনোটারই বীমা না থাকলে বা বড় দুর্ঘটনা হলে নাজম নয়, সরাসরি ট্রাফিক (মুরুর) ৯৯৩-এ ফোন করুন।

সূত্র: Gulf News; Syarah, জুন ২০২৬; সৌদিযাবোর কর্মীদের অভিজ্ঞতা।

ভিসা নিয়ে সাবধান

“ফ্রি ভিসায় গিয়ে উবার/কারিম চালাবেন” বা “ভিজিট ভিসায় গিয়ে ড্রাইভিং করবেন” বললে রাজি হবেন না। বিস্তারিত: সৌদি ৩ মাসের ফ্রি ভিসা ও ভিজিট ভিসা বনাম ওয়ার্ক ভিসা।

আরও পড়ুন

✈️ এই বিষয়ে সাহায্য দরকার?

হজ্জ, উমরাহ ও সৌদি ভিসা নিয়ে আপনার প্রশ্নের উত্তর দিতে আমরা আছি।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

বাংলাদেশি লাইসেন্স দিয়ে কি সৌদিতে গাড়ি চালানো যায়?
না। সৌদি লাইসেন্স নিতে হয়, ড্রাইভিং স্কুল ও টেস্ট দিয়ে।
সৌদি লাইসেন্স নিতে কত খরচ?
মোট প্রায় ২,৯০০–৩,৬০০ রিয়াল, টাকায় প্রায় ৯৫ হাজার থেকে ১.১৯ লাখ।
লাইসেন্সের খরচ কে দেয়?
দুই ভাবেই হয়: কর্মী নিজে করতে পারেন, আবার কোম্পানি সুযোগ দিলে কোম্পানি করিয়ে দেয়। ভিসার আগেই লিখিত নিন, নাহলে বেতন থেকে কাটা হতে পারে।
লাইসেন্স পেতে কতদিন লাগে?
নির্দিষ্ট নয়, শহর ও স্কুলভেদে আলাদা। স্কুলের কোর্স প্রায় ২০–৩০ ঘণ্টার, সাথে টেস্টের স্লট পাওয়ার অপেক্ষা।
সৌদিতে হাউস ড্রাইভারের বেতন কত?
শুরু ১,২০০ রিয়াল থেকে (মুসানাদের চুক্তিতে সাধারণত এটাই লেখা হয়), অভিজ্ঞতা ও স্পনসরভেদে ২,০০০ রিয়াল পর্যন্ত।
হাউস ড্রাইভার ভিসার খরচ কত?
বর্তমানে প্রায় ১.৪–১.৮ লাখ টাকা, বাজারের অবস্থা বুঝে কম-বেশি হয়।
তাকামুলে ফেল করলে কী হয়?
সর্বোচ্চ ৩ বার পরীক্ষা দেওয়া যায়; ৩ বার ফেল করলে এখন পর্যন্ত আর সুযোগ নেই।
মোবাইল হাতে নিয়ে চালালে কত জরিমানা?
৫০০–৯০০ রিয়াল।
হাউস ড্রাইভারের বেতন কীভাবে আসে?
১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে মুসানাদের মাধ্যমে ব্যাংক বা ডিজিটাল ওয়ালেটে, নগদে নয়।

🔗 সম্পর্কিত লেখা

💬