উমরাহ প্রস্তুতি গাইড ২০২৬–২৭: যাওয়ার আগে যা যা করবেন
উমরাহতে যাওয়ার আগে কোন কাজ কখন করবেন: টিকা, কাগজ, কত ডলার নেওয়া যায়, ব্যাগের চেকলিস্ট, বিমানে ইহরাম ও Nusuk পারমিট।
উমরাহতে যাওয়ার আগে সবচেয়ে বেশি ভুল হয় ছোট ছোট জিনিসে: টিকার তারিখ, ইহরাম কখন বাঁধবেন, মসজিদুল হারামে ঢোকার পারমিট, কত টাকা সঙ্গে নেওয়া যাবে। এই গাইডে ভিসা হাতে পাওয়ার পর থেকে বিমানে ওঠা পর্যন্ত কোন কাজ কখন করবেন, সেটা সহজ ভাষায় ধাপে ধাপে দেওয়া হলো।
খরচ কত লাগবে জানতে পড়ুন উমরাহ খরচ ও গাইড ২০২৬, আর ভিসা কীভাবে হয় জানতে উমরাহ ভিসা প্রসেসিং গাইড। এই লেখা শুধু প্রস্তুতি নিয়ে।
কখন কী করবেন: এক নজরে
২ মাস আগে
- পাসপোর্টের মেয়াদ দেখুন (কমপক্ষে ৬ মাস থাকতে হবে)
- লাইসেন্সপ্রাপ্ত এজেন্সি বাছাই, প্যাকেজে কী আছে লিখিত নিন
১ মাস আগে
- বিমানের তারিখ ঠিক করে ভিসার আবেদন (ভিসা হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে যেতে হবে)
- মেনিনজাইটিস টিকা (যাওয়ার কমপক্ষে ১০ দিন আগে)
- নিয়মিত ওষুধ থাকলে ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন নিন
- প্রতিদিন ৩০–৪৫ মিনিট হাঁটার অভ্যাস শুরু করুন
২ সপ্তাহ আগে
- Nusuk অ্যাপ ইনস্টল করে উমরাহ ও রওজার পারমিট বুক করুন
- ডলার/রিয়াল কিনুন, কার্ড এন্ডোর্স করুন
- উমরাহর নিয়ম ও দোয়া শিখে নিন
১ সপ্তাহ আগে
- ব্যাগ গোছান (নিচের চেকলিস্ট)
- সব কাগজের প্রিন্ট ও ফোনে ছবি রাখুন
- পরিবারকে হোটেলের নাম ও এজেন্সির নম্বর দিন
যাওয়ার দিন
- গোসল, নখ কাটা, ইহরামের কাপড় হ্যান্ডব্যাগে
- বিমানে মিকাতের আগে ইহরামের নিয়ত
কাগজপত্র ও স্বাস্থ্যের প্রস্তুতি
হ্যান্ডব্যাগে যে কাগজগুলো থাকবে
- পাসপোর্ট (কমপক্ষে ৬ মাস মেয়াদ)
- উমরাহ ভিসার প্রিন্ট
- মেনিনজাইটিস টিকার সনদ
- বিমানের টিকিট (যাওয়া-আসা)
- হোটেল ও যানবাহন বুকিংয়ের কাগজ (Nusuk BRN)
- ২–4 কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি
- এজেন্সির সৌদি ও বাংলাদেশের ফোন নম্বর
টিপস: সব কাগজের ছবি ফোনে আর ইমেইলে রাখুন। পাসপোর্ট হারালে ছবি থাকলে দূতাবাসে কাজ অনেক সহজ হয়।
টিকা: সবচেয়ে বেশি ভুল এখানেই হয়
মেনিনজাইটিস (ACWY) টিকা এক বছরের বেশি বয়সী সবার জন্য বাধ্যতামূলক, আর সৌদিতে পৌঁছানোর কমপক্ষে ১০ দিন আগে নিতে হবে। কনজুগেট টিকার সনদ ৫ বছর চলে, অন্য ধরনের বা ধরন লেখা না থাকলে ৩ বছর (Wego, হালনাগাদ ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬)। আগে টিকা নিয়ে থাকলে সনদে তারিখ দেখে নিন, মেয়াদ থাকলে আবার নিতে হবে না।
ঢাকায় টিকা কোথায় নেবেন: উমরাহযাত্রীদের টিকা নিজে কিনতে হয় (জানুয়ারি ২০২৫-এ খুচরা দাম ছিল প্রতি ডোজ প্রায় ১,০০০ টাকা, এক ডোজই যথেষ্ট), তারপর সরকারি কেন্দ্রে দিয়ে নিতে হয়। ঢাকার কেন্দ্র:
- ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
- স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (মিটফোর্ড)
- শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
- কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল
- মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
- ফুলবাড়িয়ার সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল
ঢাকার বাইরে প্রতিটি জেলার সিভিল সার্জন অফিসে দেওয়া যায়। টিকার সময় পাসপোর্টের তথ্য অনলাইনে তোলা হয়, পরে সনদ অনলাইনে ডাউনলোড করা যায়। সনদে নাম, টিকার নাম-ধরন ও তারিখ না থাকলে গ্রহণযোগ্য হয় না। সূত্র: দেশ রূপান্তর, জানুয়ারি ২০২৫ (দাম ও কেন্দ্র বদলাতে পারে, যাওয়ার আগে সিভিল সার্জন অফিসে ফোন করে নিন)।
ওষুধ
- নিয়মিত ওষুধ পুরো সফরের চেয়ে কয়েক দিন বেশি নিন, আসল মোড়কে রাখুন।
- ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন সাথে রাখুন। ঘুমের ওষুধ, ব্যথার কড়া ওষুধের মতো কিছু ওষুধ সৌদিতে নিয়ন্ত্রিত, প্রেসক্রিপশন ছাড়া নিলে বিমানবন্দরে সমস্যা হতে পারে।
- ছোট ফার্স্ট এইড: প্যারাসিটামল, ওরস্যালাইন, ব্যান্ডেজ, পায়ের ফোসকার ক্রিম। তাওয়াফ ও সাঈয়ে অনেক হাঁটতে হয়, পায়ে ফোসকা পড়া খুব সাধারণ।
- ডায়াবেটিস, হার্ট বা শ্বাসকষ্টের সমস্যা থাকলে যাওয়ার আগে ডাক্তারের সাথে কথা বলুন।
বীমা
উমরাহ ভিসার সাথে বাধ্যতামূলক স্বাস্থ্য বীমা (Tawuniya) আগে থেকেই যুক্ত থাকে, আলাদা করে কিনতে হয় না (Wego)। বীমার কাগজটা এজেন্সির কাছ থেকে চেয়ে নিন, অসুস্থ হলে হাসপাতালে দেখাতে হবে।
টাকা-পয়সা: কত নেবেন, কীভাবে নেবেন
বাংলাদেশ থেকে বৈদেশিক মুদ্রা নেওয়ার সীমা
বাংলাদেশ ব্যাংক ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে বিদেশ ভ্রমণের বার্ষিক সীমা বাড়িয়েছে (বাংলা ট্রিবিউন, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬):
| কী | সীমা |
|---|---|
| প্রাপ্তবয়স্কের বছরে মোট | ১৮,০০০ ডলার (আগে ছিল ১২,০০০) |
| এর মধ্যে নগদ নোট | সর্বোচ্চ ৫,০০০ ডলার |
| ১২ বছরের কম বয়সী শিশু | প্রাপ্তবয়স্কের অর্ধেক (৯,০০০ ডলার) |
বাকিটা কার্ডে খরচ করা যায়। ডলার বা কার্ডের এন্ডোর্সমেন্ট হয় পাসপোর্ট দিয়ে ব্যাংক বা অনুমোদিত মানি চেঞ্জারে, তাই রসিদ রাখুন। সৌদিতে ঢোকা বা বের হওয়ার সময় ৬০,০০০ রিয়ালের বেশি নগদ বা সোনা থাকলে ঘোষণা দিতে হয় (Gulf News, মে ২০২৫), সাধারণ উমরাহযাত্রীদের এত টাকা লাগে না।
বাস্তব পরামর্শ
- সব টাকা এক জায়গায় রাখবেন না। কিছু হ্যান্ডব্যাগে, কিছু কোমরের গোপন বেল্টে। ইহরামের সময় পকেট থাকে না, বেল্ট খুব কাজে দেয়।
- কিছু রিয়াল দেশ থেকেই নিন। বিমানবন্দরে সিম, পানি, ট্যাক্সির জন্য অল্প নগদ লাগে।
- কার্ডও সাথে রাখুন। মক্কা-মদিনার বেশিরভাগ দোকানে কার্ডে পেমেন্ট চলে। যাওয়ার আগে ব্যাংককে জানিয়ে কার্ডটি আন্তর্জাতিক ব্যবহারের জন্য চালু করুন।
- প্যাকেজে খাবার আছে কিনা জেনে নিন। খাবার না থাকলে ব্যক্তিগত খরচ অনেক বেড়ে যায়।
প্যাকেজে গেলে মোট খরচ: সর্বনিম্ন প্রায় ১,২৫,০০০ থেকে সর্বোচ্চ ১,৬৫,০০০ টাকা। এর মধ্যে টিকিট, ভিসা, থাকা, খাওয়া ও জিয়ারত (ঘোরাঘুরি) সব ধরা। এর বাইরে কেনাকাটা বা বাড়তি খরচ পুরোটাই নিজের ইচ্ছামতো। (সৌদিযাবো, অক্টোবর ২০২৬)
ব্যাগে কী নেবেন: পুরো চেকলিস্ট
পুরুষদের জন্য
- [ ] ইহরামের দুই টুকরা সেলাইবিহীন সাদা কাপড়, সম্ভব হলে দুই সেট
- [ ] ইহরাম আটকানোর বেল্ট (টাকা রাখার পকেটসহ)
- [ ] পায়ের পেছনের উঁচু অংশ খোলা স্যান্ডেল/চপ্পল
নারীদের জন্য
- [ ] ঢিলেঢালা, শরীর ঢাকা সাধারণ পোশাক (আলাদা ইহরামের কাপড় লাগে না, সাদা হওয়াও জরুরি নয়)
- [ ] হিজাব ও আলাদা অন্তর্বাসের কয়েক সেট
- [ ] ইহরাম অবস্থায় নিকাব ও হাতমোজা পরা নিষেধ (সহিহ বুখারি ১৮৩৮), তাই পর্দার জন্য খোলা ওড়না/বড় হিজাব রাখুন
সবার জন্য
- [ ] আরামদায়ক হাঁটার জুতা (নতুন জুতা হলে দেশেই কয়েক দিন পরে অভ্যস্ত হন)
- [ ] জুতা রাখার ছোট কাপড়ের ব্যাগ (মসজিদে জুতা হারানো খুব সাধারণ)
- [ ] কাঁধের ছোট ব্যাগ
- [ ] সুগন্ধিহীন সাবান, শ্যাম্পু ও ব্যাবহারিক জিনিস (ইহরাম অবস্থায় সুগন্ধি নিষেধ)
- [ ] ফোন, চার্জার, পাওয়ার ব্যাংক (পাওয়ার ব্যাংক হ্যান্ডব্যাগে, লাগেজে নয়)
- [ ] সৌদি প্লাগের অ্যাডাপ্টার (তিন পিনের ব্রিটিশ টাইপ)
- [ ] পানির বোতল, ছাতা, সানগ্লাস
- [ ] ছোট কুরআন বা দোয়ার বই, তসবিহ
- [ ] শীতের মৌসুমে (ডিসেম্বর–ফেব্রুয়ারি) মদিনার জন্য হালকা গরম কাপড়
যা নেবেন না বা সাবধানে নেবেন
- অন্যের দেওয়া প্যাকেট, যার ভেতরে কী আছে জানেন না
- প্রেসক্রিপশন ছাড়া নিয়ন্ত্রিত ওষুধ
- অনেক বেশি খাবার বা মশলা (সবই সৌদিতে পাওয়া যায়)
ফেরার সময় জমজম
উমরাহ ভিসার যাত্রী ফেরার সময় একটি ৫ লিটারের কারখানায় সিল করা জমজমের বোতল আনতে পারেন। বোতলটি কিনতে হবে জেদ্দা বা মদিনা বিমানবন্দরের অফিসিয়াল কাউন্টার থেকে; মক্কা-মদিনার দোকানের বোতল বা নিজে ভরা বোতল চলবে না। সুটকেসের ভেতরে নয়, চেক-ইনে আলাদা পিস হিসেবে দিতে হয়। কিছু এয়ারলাইনের আলাদা নিয়ম আছে, টিকিট কাটার সময় জিজ্ঞাসা করুন (Wego, হালনাগাদ ১৮ মে ২০২৬)।
উমরাহতে ব্যাগেজ সীমা (সাধারণত):
| এয়ারলাইন | যাওয়ার সময় | ফেরার সময় | হাতে |
|---|---|---|---|
| বিমান বাংলাদেশ | ৩০ কেজি | ৪০ কেজি | ৭ কেজি |
| সৌদিয়া | ২৩ কেজি | ৪৬ কেজি | — |
সূত্র: সৌদিযাবোর টিকিটিং অভিজ্ঞতা, অক্টোবর ২০২৬। ভাড়ার ধরনভেদে সীমা বদলায়, তাই টিকিটে লেখা ব্যাগেজ অবশ্যই মিলিয়ে নিন। জমজমের ৫ লিটারের বোতল সাধারণত আলাদা নিয়মে যায়।
যাওয়ার আগে শিখে নিন: উমরাহর নিয়ম সংক্ষেপে
উমরাহর কাজ কয়েক ঘণ্টার, কিন্তু দেশে বসে শিখে গেলে সেখানে অনেক শান্ত মনে করা যায়।
- ইহরাম: গোসল করে ইহরামের কাপড় পরুন, মিকাতের আগে উমরাহর নিয়ত করুন ও তালবিয়া পড়ুন।
- তাওয়াফ: কাবা ঘিরে সাত চক্কর, হাজরে আসওয়াদের কোণ থেকে শুরু। তারপর দুই রাকাআত নামাজ ও জমজম পান।
- সাঈ: সাফা থেকে মারওয়া পর্যন্ত সাতবার যাওয়া-আসা (সাফায় শুরু, মারওয়ায় শেষ)।
- চুল কাটা: পুরুষরা মাথা মুড়ান বা চুল ছোট করেন; নারীরা আঙুলের ডগার মতো অল্প চুল কাটেন। এরপর উমরাহ শেষ, ইহরামের বিধিনিষেধ উঠে যায়।
প্রতিটি ধাপ বিস্তারিত ও ভিড় এড়ানোর মতো বাস্তব কৌশল পাবেন প্রথমবার উমরাহর টিপস লেখায়।
বিমানে ইহরাম: বাংলাদেশিদের সবচেয়ে বড় ভুল
জেদ্দা মিকাতের ভেতরে, তাই ঢাকা বা চট্টগ্রাম থেকে জেদ্দাগামী বিমানে মিকাত অতিক্রমের আগেই ইহরামের নিয়ত করতে হয়। জেদ্দায় নেমে ইহরাম বাঁধার পরিকল্পনা করলে ভুল হবে।
- বিমানে ওঠার আগেই গোসল করে নিন, পুরুষরা ইহরামের কাপড় পরে বা হ্যান্ডব্যাগে নিয়ে যান।
- মিকাতের আগে বিমানে ঘোষণা দেওয়া হয়। ঘোষণা না হলে ক্রুকে আগে থেকে জিজ্ঞাসা করে রাখুন।
- আগে মদিনা গেলে: ঢাকা থেকে সরাসরি মদিনায় নামলে বিমানে ইহরাম লাগে না। মদিনা থেকে মক্কা যাওয়ার সময় মিকাত যুলহুলাইফা (আবয়ার আলী) থেকে ইহরাম বাঁধা যায়। প্রথমবার যাঁরা যাচ্ছেন, তাঁদের জন্য এটা অনেক সহজ।
ইহরাম অবস্থায় যা করা যাবে না
- সুগন্ধি ব্যবহার (সুগন্ধিওয়ালা সাবানেও)
- চুল বা নখ কাটা
- স্বামী-স্ত্রীর মিলন
- পুরুষদের সেলাই করা কাপড় পরা ও মাথা ঢাকা
- নারীদের নিকাব ও হাতমোজা পরা
যে দোয়াগুলো মুখস্থ করে নেবেন
- তালবিয়া (লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক...)
- সফরের দোয়া
- দরূদে ইবরাহিম
Nusuk অ্যাপ: যাওয়ার আগেই সেট করুন
ভিসা থাকলেই হারামে উমরাহ করা যায় না। বিদেশি উমরাহকারীদের মসজিদুল হারামে উমরাহ করতে Nusuk-এ উমরাহ পারমিট নিতে হয়, আর এই স্লট আপনাকেই বুক করতে হয়। পারমিট ছাড়া হারামে ঢুকতে বাধা পেতে পারেন (Wego, হালনাগাদ ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬)।
- দেশে থাকতেই ফোনে Nusuk অ্যাপ ইনস্টল করুন।
- ভিসা নম্বর ও পাসপোর্ট নম্বর দিয়ে নিবন্ধন করুন।
- মক্কায় পৌঁছানোর দিন হিসাব করে উমরাহ পারমিটের সময় বেছে নিন। বিমান দেরি হতে পারে, তাই হাতে কয়েক ঘণ্টা সময় রাখুন।
- মদিনায় রওজা শরিফে নামাজ পড়তে চাইলে আলাদা রওজা পারমিট লাগে। পুরুষ ও নারীদের সময় আলাদা। স্লট দ্রুত ফুরিয়ে যায়, মদিনায় পৌঁছানোর আগেই বুক করুন। অনেক সূত্র বলছে রওজা পারমিট ৩৬৫ দিনে একবার পাওয়া যায় (Umrah Transit, ডিসেম্বর ২০২৫), অ্যাপে মিলিয়ে নিন।
- পারমিটের QR কোডের স্ক্রিনশট রাখুন, ইন্টারনেট না থাকলেও দেখাতে পারবেন।
বয়স্ক বাবা-মা ফোন ব্যবহারে অভ্যস্ত না হলে তাঁদের পারমিট পরিবারের কারও ফোন থেকে সঙ্গী হিসেবে যোগ করে নিন।
সৌদিতে পৌঁছে প্রথম দিন
- সিম কার্ড: বিমানবন্দরেই পাসপোর্ট দিয়ে সৌদি সিম কেনা যায়। Nusuk, ম্যাপ ও পরিবারের সাথে যোগাযোগের জন্য ইন্টারনেট লাগবেই।
- হোটেলের ঠিকানা ও লোকেশন: গুগল ম্যাপে সেভ করুন, আরবিতে লেখা ঠিকানা কাগজে রাখুন। হারামের কোন গেট দিয়ে বের হলে হোটেল কাছে, সেই গেট নম্বর মনে রাখুন।
- গরম: বছরের বেশিরভাগ সময় মক্কায় দিনে প্রচণ্ড গরম। দুপুরে তাওয়াফ এড়িয়ে রাতে বা ভোরে করুন, বারবার পানি পান করুন।
- প্রথম উমরাহ তাড়াহুড়ো করবেন না: দীর্ঘ ভ্রমণের পর কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে তারপর যান (ইহরাম অবস্থাতেই থাকবেন)।
- দল থেকে আলাদা হলে: আগে থেকে একটি মিটিং পয়েন্ট ঠিক করে রাখুন, আর বয়স্কদের পকেটে হোটেল ও এজেন্সির নম্বর লেখা কার্ড দিন।
✈️ এই বিষয়ে সাহায্য দরকার?
হজ্জ, উমরাহ ও সৌদি ভিসা নিয়ে আপনার প্রশ্নের উত্তর দিতে আমরা আছি।