সিঙ্গাপুর ভিসা ২০২৬: খরচ, ট্রেনিং, বেতন ও চেক করার নিয়ম
সিঙ্গাপুর যেতে কত টাকা লাগে, BCA অনুমোদিত ৫টি টেস্ট সেন্টার, টেস্ট ফি কে দেবে, MOM-এ IPA চেক ও নতুন নিয়ম, সব সরকারি সূত্রসহ।
সংক্ষেপে: সিঙ্গাপুর ভিসা এখন কেমন
সিঙ্গাপুরের ওয়ার্ক ভিসা বাংলাদেশিদের জন্য খোলা আছে। ২০২৬ সালে এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শ্রমবাজার। তবে এখানে যাওয়ার খরচ বাকি বড় শ্রমবাজারগুলোর তুলনায় অনেক বেশি।
- কতজন যাচ্ছে: ২০২৬ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৫৫,৬১৪ জন সিঙ্গাপুরে গেছেন, যা মোট বিদেশগামী কর্মীর ১০.৩৪%। শুধু সেপ্টেম্বর মাসেই গেছেন ৮,৩০৬ জন (BMET)।
- খরচ: প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর মতে আসল খরচ হওয়া উচিত ৪–৫ লাখ টাকা। অথচ কর্মীরা ১৪–১৬ লাখ টাকা পর্যন্ত দিচ্ছেন।
- সবচেয়ে জরুরি তথ্য: সিঙ্গাপুরের BCA-এর নিয়মে স্কিল টেস্টের ফি দেবেন নিয়োগকর্তা। আর চাকরির বিনিময়ে কর্মীর কাছ থেকে টাকা নেওয়া সিঙ্গাপুরের আইনে অপরাধ।
- ভিসা যাচাই: টাকা দেওয়ার আগে MOM-এর ওয়েবসাইটে নিজেই IPA চেক করা যায়। IPA-তে আপনার বেতনও লেখা থাকে।
১ সিঙ্গাপুর ডলার ≈ ৯৬.২৩ টাকা (১২ অক্টোবর ২০২৬)। এই লেখার সব টাকার হিসাব এই রেটে।
সূত্র: TBS, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ · TBS, ৫ অক্টোবর ২০২৬
সিঙ্গাপুর ভিসার ধরন: কার জন্য কোনটি
সিঙ্গাপুরে "ওয়ার্ক ভিসা" বলে আলাদা কিছু নেই। কাজের অনুমতিকে বলে ওয়ার্ক পাস, আর আবেদন করেন শুধু নিয়োগকর্তা বা তার নিবন্ধিত এজেন্ট। কর্মী নিজে আবেদন করতে পারেন না।
| পাসের ধরন | কার জন্য | মূল শর্ত |
|---|---|---|
| Work Permit | নির্মাণ, শিপইয়ার্ড, প্রসেস (কারখানা), সার্ভিস খাতের শ্রমিক | নির্মাণ খাতে আবেদনের সময় বয়স ১৮–৬২; নির্মাণ কর্মীদের স্কিল সার্টিফিকেট (SEC(K)) লাগে |
| S Pass | মাঝারি দক্ষ কর্মী (টেকনিশিয়ান, সুপারভাইজার) | ন্যূনতম বেতন মাসে ৩,৩০০ ডলার (প্রায় ৳৩.১৮ লাখ), বয়স বাড়লে বেশি |
| Employment Pass (EP) | পেশাদার, ম্যানেজার, উচ্চশিক্ষিত | S Pass-এর চেয়ে অনেক বেশি বেতন সীমা |
| টুরিস্ট / ভিজিট | ভ্রমণ, চিকিৎসা, আত্মীয়ের বাসা | এই ভিসায় কাজ করা নিষিদ্ধ |
বাংলাদেশ থেকে যাওয়া অধিকাংশ কর্মী Work Permit-এ যান, মূলত নির্মাণ, জাহাজ নির্মাণ ও গার্ডেনিং খাতে। সিঙ্গাপুর বাংলাদেশকে নির্মাণ খাতের "Non-Traditional Source" দেশের তালিকায় রেখেছে, তাই এখানকার কর্মীরা বৈধভাবে এই খাতে কাজ পান।
সূত্র: MOM, Construction sector requirements · MOM, S Pass eligibility (হালনাগাদ ৩১ আগস্ট ২০২৬)
স্কিল টেস্ট ও ট্রেনিং: কোথায়, কীভাবে, কে টাকা দেবে
নির্মাণ খাতে সিঙ্গাপুর যেতে হলে Building and Construction Authority (BCA)-এর স্কিল টেস্ট পাস করে SEC(K) সার্টিফিকেট নিতে হয়। অনেকে এটাকেই "টেস্ট দিয়ে সিঙ্গাপুর" বলেন।
BCA অনুমোদিত বাংলাদেশের টেস্ট সেন্টার (৫টি)
| সেন্টার | এলাকা |
|---|---|
| Fonda Global SBS Test Centre | জামগড়া, আশুলিয়া, ঢাকা |
| Santarli's STL Test Centre | কুদাব, পুবাইল, গাজীপুর |
| SEC - South Point Skills Centre | ঘোষবাগ, জিরাবো, আশুলিয়া, সাভার |
| ComfortDelgro-Setsco Test Centre | তুরাগ, ঢাকা |
| Lian Beng Training and Testing Centre | ঘোষবাগ, জিরাবো, আশুলিয়া |
এই তালিকার বাইরের কোনো সেন্টার "সিঙ্গাপুর টেস্ট" নিতে পারে না। তারা শুধু প্রস্তুতিমূলক প্রশিক্ষণ দিতে পারে। (BCA-এর তালিকা, সর্বশেষ হালনাগাদ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫। প্রকাশের আগে আবার মিলিয়ে নিন।)
টেস্ট কীভাবে হয়
- কর্মীকে টেস্টের জন্য রেজিস্ট্রেশন করান সিঙ্গাপুরের BCA-নিবন্ধিত নিয়োগকর্তা।
- লিখিত পরীক্ষা: ১ ঘণ্টার MCQ (ইংরেজিতে)।
- ব্যাবহারিক পরীক্ষা: ৪–৫ ঘণ্টার হাতেকলমে কাজ।
- দুটোতেই পাস করলে SEC(K) সার্টিফিকেট মেলে।
টেস্টের টাকা কে দেবে?
BCA-এর নিয়ম অনুযায়ী, একজন পরীক্ষার্থীর সব টেস্ট মিলিয়ে ফি সর্বোচ্চ ৯২৫ সিঙ্গাপুর ডলার (প্রায় ৳৮৯,০০০, GST ছাড়া)। আর এই টাকা নিয়োগকর্তা সিঙ্গাপুরে টেস্ট সেন্টারের অফিসে পরিশোধ করেন।
অর্থাৎ কাগজে-কলমে টেস্টের ফি কর্মীর নয়। বাস্তবে ট্রেনিং সেন্টারগুলো কর্মীদের কাছ থেকে "ট্রেনিং" ও "ভর্তি" বাবদ টাকা নেয়। কোন খাতে কত টাকা নিচ্ছে, লিখিত রসিদ চাইবেন।
ট্রেনিং সেন্টারের বাস্তব খরচ
| খাত | টাকা |
|---|---|
| ট্রেনিং ফি (মাস/কোর্স) | ৳ ____ |
| থাকা-খাওয়া | ৳ ____ |
| টেস্টে ফেল করলে আবার টেস্ট | ৳ ____ |
সূত্র: BCA, Overseas Trade Testing · BCA, অনুমোদিত বিদেশি টেস্ট সেন্টারের তালিকা (PDF)
সিঙ্গাপুর যেতে কত টাকা লাগে ২০২৬
সিঙ্গাপুরের সরকারি ফি খুব কম, আর বেশিরভাগ খরচ নিয়ম অনুযায়ী নিয়োগকর্তার দেওয়ার কথা। তবু কর্মীরা দশ লাখের বেশি টাকা দিচ্ছেন। নিচে দুটো আলাদা করে দেখানো হলো।
| খরচের ধরন | পরিমাণ | কে দেওয়ার কথা |
|---|---|---|
| BCA স্কিল টেস্ট ফি (সর্বোচ্চ) | ৯২৫ ডলার (প্রায় ৳৮৯,০০০) | নিয়োগকর্তা (BCA) |
| নির্মাণ খাতে মাসিক লেভি | ৫০০ ডলার (দক্ষ) / ৯০০ ডলার (বেসিক) | নিয়োগকর্তা (MOM) |
| প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর মতে যৌক্তিক মোট খরচ | ৪–৫ লাখ টাকা | TBS, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ |
| সম্প্রতি গিয়েছেন এমন কর্মীদের দেওয়া টাকা | ১৪–১৬ লাখ টাকা পর্যন্ত | TBS, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ |
খরচ এত বেশি কেন?
প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর TBS-কে বলেছেন, সিঙ্গাপুরের ছয়টি কোম্পানি কর্মী নিয়োগে কার্যত একচেটিয়া আধিপত্য ধরে রেখে অস্বাভাবিক টাকা নিচ্ছে। সরকার এজেন্সিগুলোকে ডেকে অতিরিক্ত খরচ কোথায় যাচ্ছে তা খতিয়ে দেখবে বলেও জানিয়েছেন।
মনে রাখবেন, সিঙ্গাপুরের আইনে (Employment of Foreign Manpower Act) চাকরি দেওয়ার শর্ত হিসেবে কর্মীর কাছ থেকে টাকা নেওয়া (কিকব্যাক) অপরাধ। প্রতিটি অভিযোগে সর্বোচ্চ ৩০,০০০ ডলার (প্রায় ৳২৮.৯ লাখ) জরিমানা, ২ বছর কারাদণ্ড বা দুটোই হতে পারে।
টাকা দেওয়ার আগে যা মিলিয়ে নেবেন
- এজেন্সির RL নম্বর BMET-এর তালিকায় সক্রিয় কি না।
- টেস্ট সেন্টারটি BCA-এর ৫টি অনুমোদিত সেন্টারের একটি কি না (উপরের তালিকা)।
- IPA হাতে পেলে MOM-এর ওয়েবসাইটে যাচাই করুন (নিচে "IPA চেক" অংশ)।
- প্রতিটি টাকার লিখিত রসিদ নিন।
সূত্র: TBS · MOM, নির্মাণ খাতের লেভি · MOM, কিকব্যাক মামলার প্রেস রিলিজ
সিঙ্গাপুরে বেতন ও কর্মীর অধিকার
সিঙ্গাপুরে সব খাতের জন্য একটি সাধারণ ন্যূনতম মজুরি নেই। Work Permit-এর বেতন নির্ধারিত হয় নিয়োগকর্তার সাথে চুক্তি অনুযায়ী, আর সেই অঙ্ক IPA লেটারে লেখা থাকে। তাই দালাল যে বেতনের কথা বলছে, তার সাথে IPA-র বেতন মিলিয়ে নিন।
| বিষয় | নিয়ম |
|---|---|
| S Pass ন্যূনতম বেতন | মাসে ৩,৩০০ ডলার (প্রায় ৳৩.১৮ লাখ), ৪৫+ বয়সে ৪,৮০০ ডলার |
| NTS তালিকার কিছু পেশা (ভারী যানবাহনের চালক, রাঁধুনি, কারখানার অপারেটর) | কমপক্ষে ২,০০০ ডলার (প্রায় ৳১.৯২ লাখ) |
| লেভি | নিয়োগকর্তার খরচ; লেভি বা অন্য কোনো নিয়োগ-সংক্রান্ত খরচ কর্মীর কাছ থেকে আদায় করা নিষিদ্ধ (MOM) |
| নির্মাণ সেফটি কোর্স | পৌঁছানোর ২ সপ্তাহের মধ্যে ভর্তি, ৩ মাসের মধ্যে পাস করতে হবে |
| প্রথমবার আসা কর্মী | Settling-in Programme-এ অংশ নিতে হবে |
সূত্র: MOM, S Pass eligibility · MOM, Construction sector requirements · MustShareNews, ৭ মার্চ ২০২৫
কাজ অনুযায়ী বাস্তব বেতন
সিঙ্গাপুরে কর্মরত বাংলাদেশিদের অভিজ্ঞতায়, নির্মাণ শ্রমিকের মাসিক আয় ৪০,০০০ টাকার বেশি; ওভারটাইম ও অভিজ্ঞতাসহ অনেকে ৬০,০০০–৭০,০০০ টাকা পর্যন্ত পান। (সৌদিযাবো, অক্টোবর ২০২৬)
আপনার আসল বেতন দেখার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য জায়গা আইপিএ চিঠি: সেখানে মূল বেতন ডলারে লেখা থাকে।
বাংলাদেশ থেকে সিঙ্গাপুর যাওয়ার ধাপগুলো
নির্মাণ খাতের Work Permit-এ সাধারণত এই ক্রমে কাজ হয়:
- স্কিল টেস্ট: সিঙ্গাপুরের নিয়োগকর্তা আপনাকে BCA-অনুমোদিত টেস্ট সেন্টারে রেজিস্ট্রেশন করান; পাস করলে SEC(K)।
- IPA: নিয়োগকর্তা MOM-এ আবেদন করেন। অনুমোদন হলে In-Principle Approval (IPA) লেটার ইস্যু হয়, যাতে আপনার FIN নম্বর ও বেতন লেখা থাকে। এই IPA দিয়েই সিঙ্গাপুরে ঢোকা যায়।
- BMET: রেজিস্ট্রেশন, প্রাক-বহিগমন প্রশিক্ষণ ও বহিগমন ছাড়পত্র (স্মার্ট কার্ড)।
- সিঙ্গাপুরে পৌঁছে: মেডিকেল, আঙুলের ছাপ ও ছবি; তারপর Work Permit কার্ড ইস্যু।
- প্রথমবার আসা কর্মী: Settling-in Programme, আর ২ সপ্তাহের মধ্যে নির্মাণ সেফটি কোর্স শুরু।
কয়েকটি জরুরি সাবধানতা
- কর্মী নিজে সরাসরি Work Permit-এর আবেদন করতে পারেন না। "আমরা নিজেরা ভিসা করি" বললে সতর্ক হোন।
- BMET ক্লিয়ারেন্স ছাড়া গেলে বিপদে সরকারি সহায়তা পাওয়া কঠিন।
- টুরিস্ট ভিসায় গিয়ে কাজ করা সিঙ্গাপুরে গুরুতর অপরাধ।
সূত্র: BCA, Overseas Trade Testing · MOM, Construction sector requirements
সিঙ্গাপুর ভিসা (IPA) চেক করার নিয়ম
দালাল বা এজেন্সি IPA-র কপি দিলে টাকা দেওয়ার আগে MOM-এর ওয়েবসাইটে নিজে যাচাই করুন। এটি বিনামূল্যে, লগইন ছাড়াই, ২৪ ঘণ্টা করা যায়।
- service2.mom.gov.sg/workpass/enquiry পেজে যান।
- জন্ম তারিখ দিন।
- FIN নম্বর (IPA লেটারে থাকে) অথবা পাসপোর্ট নম্বর দিন।
- গত ৬ মাসের আবেদনের অবস্থা দেখাবে। ফলাফল PDF করে সংরক্ষণ করতে পারেন; তাতে তারিখ ও সময়ের স্ট্যাম্প থাকে।
বেতনও দেখে নিন
Work Permit কর্মীরা IPA-তে থাকা Date of Application (DOA) দিয়ে নিজের বেতনের তথ্যও দেখতে পারেন। দালাল যে বেতনের কথা বলেছে আর MOM-এ যা লেখা, দুটো মিলিয়ে নিন।
কোনো সমস্যা হলে
- "Multiple results" দেখালে পাসপোর্টের বদলে FIN দিয়ে খুঁজুন।
- কোনো তথ্যই না আসলে বা নাম-কোম্পানি না মিললে টাকা দেবেন না।
- MOM কখনো টাকা পাঠাতে বা ব্যাংক পাসওয়ার্ড চায় না।
- সিঙ্গাপুরে পৌঁছানোর পর পাস বৈধ কি না দেখতে SGWorkPass অ্যাপ ব্যবহার করুন।
সূত্র: MOM, Check work pass status
নতুন নিয়ম ২০২৫–২০২৬: কী বদলেছে
| কবে থেকে | কী বদলেছে | আপনার জন্য মানে |
|---|---|---|
| ১ জুলাই ২০২৫ | Work Permit-এর সর্বোচ্চ চাকরির মেয়াদ (আগে ১৪–২৬ বছর) তুলে দেওয়া হয়েছে | দীর্ঘ দিন কাজের সুযোগ, বয়সসীমা পর্যন্ত |
| ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | NTS পেশার তালিকা বড় হয়েছে (ভারী গাড়ির চালক, রাঁধুনি, কারখানার অপারেটর); বেতন কমপক্ষে ২,০০০ ডলার | নির্মাণের বাইরেও কিছু পেশায় সুযোগ |
| বর্তমান (MOM) | নির্মাণ খাতে আবেদনের বয়স ১৮–৬২, কাজ করা যাবে ৬৪ বছর পর্যন্ত | বেশি বয়সেও প্রথমবার যাওয়া সম্ভব |
| ৪ মে ২০২৬ | নতুন কর্মীরা Singpass দিয়ে অনলাইনে SEC(K) ই-সার্টিফিকেট চাইতে পারেন; ব্র্যাডেল কাউন্টার বন্ধ | সার্টিফিকেটের জন্য অফিসে যেতে হবে না |
| ১ জানুয়ারি ২০২৭ (আসন্ন) | নতুন S Pass আবেদনে ন্যূনতম বেতন ৩,৬০০ ডলার (প্রায় ৳৩.৪৬ লাখ) | S Pass পাওয়া আরও কঠিন হবে |
সামনে কড়াকড়ির ইঙ্গিত
২৩ আগস্ট ২০২৬ ন্যাশনাল ডে র্যালিতে সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লরেন্স ওয়োং বলেছেন, বিদেশি কর্মী নেওয়া চলবে "সাবধানে ও নিয়ন্ত্রিতভাবে"। কোনো নির্দিষ্ট নতুন নিয়ম বা তারিখ এখনো ঘোষণা হয়নি। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিম্ন-দক্ষ কর্মীর চেয়ে দক্ষ কর্মীর চাহিদা বাড়বে। তাই যারা যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন, তারা ভালো ট্রেডে দক্ষতা বাড়ালে সুবিধা পাবেন।
সূত্র: MustShareNews, ৭ মার্চ ২০২৫ · MOM, Construction sector requirements · BCA · MOM, S Pass · TBS
✈️ এই বিষয়ে সাহায্য দরকার?
হজ্জ, উমরাহ ও সৌদি ভিসা নিয়ে আপনার প্রশ্নের উত্তর দিতে আমরা আছি।